Thursday, February 23, 2017

গভীর রাতে কোন খাবার খাওয়া সবচেয়ে ভালো

১. দইঃ




আপনি যদি রাতে মজাদার এবং উপকারী কোনো খাবার খেতে চান তাহলে দইয়ের কথা ভাবতে পারেন। ঘুমাতে যাওয়ার আগে কিছুটা দই খেয়ে নেওয়া হতে পারে বেশ উপাদেয় এবং স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। এ ছাড়া আপনি কটেজ চিজও খেতে পারেন। এগুলো আপনার ঘুম ভালো করবে এবং হজমশক্তিও বাড়াবে। এ ছাড়া রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও এ খাবারের জুড়ি নেই।
২. আঙুরঃ
রাতে যদি বাড়তি ক্ষুধা লাগে তাহলে বিছানার পাশে রাখুন এক থোকা আঙুর। এগুলো আপনার পুষ্টির চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি ক্ষুধাও দূর করবে। আঙুরে রয়েছে ৮২ শতাংশ পানি। এ ছাড়াও বেশ পুষ্টি থাকার কারণে আঙুর খাওয়া দেহের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। এটি হৃৎপিণ্ডের জন্য যেমন উপকারী তেমন নানা রোগ থেকেও আপনাকে রক্ষা করবে।
৩. পপকর্নঃ
এক প্যাকেট চিপসের তুলনায় পপকর্ন স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারী। এ খাবারটি ১০০ শতাংশ আনপ্রসেসড দানা থেকে তৈরি। আর এ কারণে তা স্বাস্থ্যের জন্যও ভালো। এ ছাড়া পপকর্নের রয়েছে নানা উপকারিতা।
৪. পেস্তা বাদামঃ
আপনি যদি রাতে ঘুমানোর আগে ক্ষুধা নিবারণ করতে চান কোনো স্বাস্থ্যকর খাবার দিয়ে তাহলে পেস্তা বাদাম থেকে পারেন। এটি অন্যান্য বাদামের তুলনায় ভালো ফলাফল দেবে। কারণ একটি সার্ভিংসে আপনি যদি ৪৯টি পেস্তা বাদাম খান তাহলে তা থেকে ১৬০ ক্যালরি পাওয়া যাবে। এ ছাড়া এটি হৃদরোগের বিরুদ্ধে যেমন প্রতিরোধ ব্যবস্থা তৈরি করবে তেমন দেহের ওজন বাড়াতেও ভূমিকা রাখবে না বললেই চলে।
৫. ডিমের স্যান্ডউইচঃ
রাতে আপনি যদি ক্ষুধার জন্য সমস্যায় পড়েন তাহলে ডিম স্যান্ডউইচ খেতে পারেন। এতে সামান্য অলিভ অয়েলও দিতে ভুলবেন না। এ ক্ষেত্রে হোল গ্রেন ব্রেডের স্যান্ডউইচ তৈরি করতে পারলে সবচেয়ে ভালো হয়। এতে যেমন আপনার ক্ষুধা কমবে তেমন পুষ্টির চাহিদাও দূর হবে। আপনি যদি রাত জেগে পড়াশোনা করতে চান তাহলে ডিম আপনার যথেষ্ট কাজে লাগবে। কারণ গবেষণায় দেখা গেছে, ডিম মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা যেমন বৃদ্ধি করে তেমন মাংসপেশির গঠন ও চোখের জন্যও উপকার করে।
৬. হার্বাল চাঃ
রাত জেগে কাজ করতে হলে অনেকেই সাধারণ চা কিংবা কফি পান করেন। তবে সেসব বাদ দিয়ে আপনি যদি এক কাপ হার্বাল চা পান করেন তাহলে তা আপনার স্বাস্থ্যের উপকার করবে। হার্বাল চায়ের রয়েছে বহু উপকার। এগুলো যেমন আপনার রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে তেমন রাতের ক্লান্তিও দূর করবে।
 

SHARE THIS

Author:

Etiam at libero iaculis, mollis justo non, blandit augue. Vestibulum sit amet sodales est, a lacinia ex. Suspendisse vel enim sagittis, volutpat sem eget, condimentum sem.

0 comments: