Tuesday, March 20, 2018

দিতি স্মরণে শিল্পী সমিতিতে দোয়া মাহফিল

দিতি স্মরণে শিল্পী সমিতিতে দোয়া মাহফিল

বিনোদন ডেস্কঃ  জনপ্রিয় অভিনেত্রী পারভীন সুলতানা দিতি। আজ মঙ্গলবার তার দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী । এ উপলক্ষে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি মিলাদ 


ও দোয়া মাহফিলের মধ্য দিয়ে স্মরণ করবে দিতিকে । আজ বাদ আসর শিল্পী সমিতির কার্যালয়ে এই দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খান।  দীর্ঘদিন ক্যান্সারের সঙ্গে যুদ্ধ করে ২০১৬ সালের ২০ মার্চ না ফেরার দেশে পাড়ি জমান নন্দিত এই অভিনেত্রী।
এ প্রসঙ্গে জায়েদ খান বলেন, ‘দিতি আপা একজন গুণী শিল্পী ছিলেন। তার চলে যাওয়া আমাদের চলচ্চিত্রে অনেক ক্ষতি হয়েছে। তাকে আমরা শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি। তাকে স্মরণ করতে আজ শিল্পী সমিতিতে মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেছি। দোয়া করি, তিনি যেন জান্নাতবাসী হন।’
দীর্ঘ তিন মাস ক্যান্সারের চিকিৎসার পর ভারতের মাদ্রাজ ইনস্টিটিউট অব অর্থোপেডিকস অ্যান্ড ট্রমাটোলজি (এমআইওটি) হাসপাতাল থেকে ২০১৫ সালের ৮ জানুয়ারি অসুস্থতা নিয়েই দেশে ফিরেছিলেন অভিনেত্রী দিতি। ওই দিনই তাকে ভর্তি করানো হয় গুলশানের ইউনাইটেড হাসপাতালে। আজকের এই দিনে তিনি  শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।
১৯৬৫ সালে নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁওয়ে জন্ম গ্রহণ করেন দিতি। ১৯৮৪ সালে নতুন মুখের সন্ধানের মাধ্যমে দেশীয় চলচ্চিত্রে পা রাখেন তিনি। তার অভিনীত প্রথম চলচ্চিত্র উদয়ন চৌধুরী পরিচালিত ‘ডাক দিয়ে যাই’। কিন্তু সিনেমাটি শেষ পর্যন্ত মুক্তি পায়নি।
দিতি অভিনীত মুক্তিপ্রাপ্ত প্রথম চলচ্চিত্র ‘আমিই ওস্তাদ’। এটি পরিচালনা করেন আজমল হুদা মিঠু।এরপর প্রায় দুই শতাধিক চলচ্চিত্রে কাজ করেছেন দিতি। সুভাষ দত্ত পরিচালিত ‘স্বামী স্ত্রী’ সিনেমায় তিনি চিত্রনায়ক আলমগীরের স্ত্রীর চরিত্রে অভিনয় করেন। এ সিনেমায় অভিনয় করে দিতি প্রথমবারের মতো জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন।
‘হীরামতি’, ‘দুই জীবন’, ‘লেডি ইন্সপেক্টর’, ‘খুনের বদলা’, ‘আজকের হাঙ্গামা’, ‘চরম আঘাত’, ‘স্বামী-স্ত্রী’, ‘কালিয়া’ প্রভৃতি সিনেমায় অভিনয় করে একসময় দর্শক মাতিয়েছেন তিনি।

মৃত্যুর আগ পর্যন্ত দিতি ছোট পর্দার কিছু একক ও ধারাবাহিক নাটকে অভিনয় করেন। এ ছাড়া তিনি রান্নাবিষয়ক অনুষ্ঠানও উপস্থাপনা করেন।

Saturday, March 17, 2018

আজ সংবাদকর্মী ও সমাজসেবক রুহুল আমিনের জন্মদিন

আজ সংবাদকর্মী ও সমাজসেবক রুহুল আমিনের জন্মদিন

স্টাফ রিপোর্টার 

পঞ্চগড়েন এক অনলাইন গনমাধ্যম কর্মী মোঃ রুহুল আমিন । যিনি অনেক কম বয়স থেকেই গনমাধ্যম এর সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছেন। পড়াশুনার পাশাপাশি গনমাধ্যমে তিনি তার প্রতিভার আত্মপ্রকাশ ঘটিয়েছেন। মাধ্যমিকের ও উচ্চ মাধ্যমিক শেষ করে স্নাতকের গন্ডি পাড় না হতেই এত কম বয়সে তার এত উদ্দীপনা দেখে অনেকেই উৎফুল্ল। বন্ধুরা যখন পড়াশুনা শেষ করে মাঠে খেলা-ধুলা নিয়ে ব্যস্ত, ঠিক ওই সময় মনের তৃতীয় চোখ দিয়ে পঞ্চগড় কে নিয়ে ভাবে এই কিশোর ছেলেটি। বাংলাদেশের কয়েক টি জনপ্রিয় অনলাইন পত্রিকা বিডিনিউজটুডে২৪.কম, উত্তরের কণ্ঠস্বর, সহ আরো বেশ কয়েকটি জনপ্রিয় অনলাইন পত্রিকায় কাজ করে আসছেন তিনি। এছাড়াও তিনি দৈনিক স্বাধীন বার্তা.কম নামে একটি অনলাই পত্রিকা নিজে পরিচালনা করেন। তিনি এই অল্প বয়সেই একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে আসছেন। তার রয়েছে অসহায় শিশুদের নিয়ে মুক্ত চিন্তা। তাই তো বিভিন্ন অরাজনৈতিক ও সমাজ সেবা মূলক সংগঠনের সঙ্গে তিনি জড়িত। তিনি বর্তমানে একটি সেচ্ছা সেবী সংগঠন (সুতিপাড়া সমাজকল্যাণ ফ্রেন্ডস ইউনিটি) ৬৫ সদসের একটি সংগঠনের সভাপতি। তিনি এই সংগঠনের আওতায় অসহায় গরীব দুঃখি মানুষের সেবা যত্ন ও এতিম শিশুদের কল্যাণে কাজ করেন। তার এরকম কর্মকান্ড দেখে অনেকেই অনুপ্রাণীত হয়েছেন। ১৯৯৮ সালের আজকের এই দিনে (১৮ ই মার্চ) তিনি পঞ্চগড় জেলার দেবীগঞ্জ উপজেলার টেপ্রীগঞ্জ ইউনিয়নে এক মধ্যম পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন। বাবা-মার আদরের সন্তান মোঃ রুহুল আমিন তিন বোন ও এক ভাই তারা, তিনিই বড়। তার পরিবার কে আখড়ে ধরে এবং সারা জীবন সমাজ কে নিয়ে কাজ করতে চান তিনি । বাবা মোঃ আব্দুল বারেক একজন ব্যবসায়ী এবং মা মোছাঃ রুবি বেগম (গৃহিণী ) তাদের আশা রুহুল আমিন এক দিন তাদের মুখ উজ্জ্বল করবে।

Thursday, February 22, 2018

শিক্ষা প্রশাসনের আলোচিত ২৩ কর্মকর্তাকে ঢাকার বাইরে বদলি

শিক্ষা প্রশাসনের আলোচিত ২৩ কর্মকর্তাকে ঢাকার বাইরে বদলি


এর মধ্যে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদের সাবেক সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস), ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক ও বিদ্যালয় পরিদর্শক, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) পরিচালক, উপ-পরিচালক ও সহকারী পরিচালক; জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) এবং পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা রয়েছেন।
মাউশির আটজন, ঢাকা বোর্ডের ছয় জন, এনসিটিবির নয়জন, পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের একজন এবং ঢাকার বাইরের কয়েকটি শিক্ষা বোর্ডের ছয় কর্মকর্তাকে বদলি করে বৃহস্পতিবার আদেশ জারি করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ।
প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে তীব্র সমালোচনার মধ্যে এসএসসি পরীক্ষা শেষ হওয়ার আগেই শিক্ষা মন্ত্রণালয় এই ব্যবস্থা নিল।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা  বলেন, শিক্ষা প্রশাসনের কিছু কর্মকর্তা প্রভাব খাটিয়ে দীর্ঘ দিন ধরে ঢাকায় পোস্টিং টিকিয়ে রেখেছিলেন। তাদের কারও কারও বিরুদ্ধে আর্থিক দুর্নীতিতে জড়ানোরও অভিযোগ এসেছে বিভিন্ন সময়ে।

মাউশির পরিচালক (মনিটরিং অ্যান্ড ইভালুয়েশন উইং) মো. সেলিম, উপ-পরিচালক (হিসাব ও নিরীক্ষা) মো. ফজলে এলাহী, উপ-পরিচালক (কলেজ-২) মো. মেসবাহ উদ্দিন সরকার, উপ-পরিচালক এস এম কামাল উদ্দিনকে বদলি করে ঢাকার বাইরে পাঠানো হয়েছে।
মাউশির উপ-পরিচালক মো. শফিকুল ইসলাম সিদ্দিকি, সহকারী পরিচালক (কলেজ-৪) জাকির হোসেন, উপপরিচালক (প্রশিক্ষণ) খ ম রাশেদুল হাসান এবং সহকারী পরিচালক (কলেজ-২) মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেনকেও বদলি করেছে সরকার।
ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক আশফাকুস সালেহীন, বিদ্যালয় পরিদর্শক এ টি এম মঈনুল হোসেন, উপসচিব মোহাম্মদ নাজমুল হক, উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মাসুদা বেগম, কলেজ উপ-পরিদর্শক মন্মথ রঞ্জন বাড়ৈ (শিক্ষামন্ত্রীর সাবেক এপিএস) এবং উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অদ্বৈত কুমার রায়কে ঢাকার বাইরে পাঠনো হয়েছে।
এনসিটিবির সম্পাদক দিলরুবা আহমেদ, বিশেষজ্ঞ ফাতেমা নাসিমা আক্তার, বিশেষজ্ঞ মনিরা বেগম ও শাহীনারা বেগম রয়েছেন বদলি হওয়া কর্মকর্তাদের মধ্যে।
এনসিটিবির গবেষণা কর্মকর্তা মারুফা বেগম, মো. হাবিবুল্লাহ ও মোহাম্মদ শাহ আলম এবং উৎপাদন নিয়ন্ত্রক মো. আব্দুল মজিদ ছাড়াও পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী শিক্ষা পরিদর্শক মো. কাওসার হোসেনকে বদলি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
প্রশ্ন ফাঁসে শিক্ষা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের জড়িত থাকার অভিযোগের মধ্যে সাম্প্রতিক সময়ে সংবাদ মাধ্যমে আসা প্রতিবেদনে এই কর্মকর্তাদের কয়েকজনের নামও এসেছে।   
হাথুরুকে নিয়ে মুখ খুললেন শাহরিয়ার নাফীস

হাথুরুকে নিয়ে মুখ খুললেন শাহরিয়ার নাফীস

গত বছরের শেষদিকে বাংলাদেশ দলের দক্ষিণ আফ্রিকা সফর শেষ হওয়ার পর হুট করেই দলের প্রধান কোচের দায়িত্ব ছাড়েন সাবেক শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটার চন্ডিকা হাথুরুসিংহে। বাংলাদেশের দায়িত্ব ছাড়ার পর তিনি শ্রীলঙ্কার প্রধান কোচের পদে আসীন হন। আর সেই পদ থেকে প্রথম মিশনে বাংলাদেশ সফরে রীতিমতো দু’হাত ভরে নিজ দেশে পাড়ি জমিয়েছে একবারের বিশ্ব-চ্যাম্পিয়নরা।

দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটের ধারাবাহিক ব্যাটসম্যান শাহরিয়ার নাফীসের মতে, দেশের ক্রিকেটের অভিভাবক বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) অপেশাদারিত্ব ও দূর্বল কাঠামোর সুযোগ নিয়েই দায়িত্ব ছেড়েছেন চান্ডিকা হাথুরুসিংহে। সেই সাথে হুট করে প্রধান কোচের অনুপস্থিতি দল ও টিম ম্যানেজমেন্টকে ভারসাম্যহীন করে ফেলেছে বলেও অভিমত তার।
সম্প্রতি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল যমুনা টেলিভিশনকে নাফীস বলেন, ‘হাথুরুসিংহের চলে যাওয়াটা খুব আকস্মিক হয়ে যাওয়ার কারণে হয়ত আমরা ম্যানেজমেন্টের পার্ট থেকে একটু ভারসাম্যহীন অবস্থায় আছি।’
যে কারণে টি-২০তে ফিরবেন না মাশরাফি

যে কারণে টি-২০তে ফিরবেন না মাশরাফি

ঘরের মাঠে সদ্য শেষ হওয়া টি-২০ সিরিজে একজন যোগ্য নেতার অভাব ছিল সবচেয়ে বেশি। সেটি অনুধাবন করেই তাকে টি-২০-তে আবারো ফিরে পেতে মরিয়া বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। তবে ক্রিকেটের সংপ্তি ফরম্যাটে ফেরার কোনো ইচ্ছা নেই জাতীয় দলের ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফির। উঠতি তরুণদের সুযোগ করে দেয়ার এটা খুব ভালো সময়। যদি খেয়াল করেন এখন আবু হায়দার রনি এবং আবু জায়েদ রাহি আসছে। ওদের জন্য বড় সুযোগ রয়েছে টি-২০ থেকে জাতীয় দলে জায়গা করে নেয়া ও দলকে লম্বা সময় সার্ভিস দেয়ার। এই ১টি কারণে টি-২০তে ফিরবেন না মাশরাফি!

আরো একটি বিষয় লক্ষণীয় যে, বিসিবির অনুরোধ রক্ষা করে যদি টি-২০-তে ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েই ফেলেন মাশরাফি তাহলে নিজ দেশে কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে নিশ্চই মনোকষ্টে ভুগবেন চন্দিকা হাতুরা সিংহে। ওই ভেনুতেই ক্যারিয়ারের শেষ টি-২০ খেলেছেন ম্যাশ। সেই ভেনুতেই মাশরাফি ফিরলে বিব্রতকর পরিস্থিতি হতে পারে হাতুরার জন্য। এই কোচের জন্যই যে মাশরাফি অভিমানে ছেড়েছেন টি-২০। ওয়ানডেতে টানা সাফল্য এনে দেয়ার পর টি-২০ দলকেও যখন একটা পর্যায়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন, তখন মাশরাফিকে এ ফরম্যাট থেকে অধিনায়কত্ব ছাড়তে বলেন হাতুরা। কোচের এ উদ্ভট, অন্যায্য ও খামখেয়ালি সিদ্ধান্ত বিস্ময়করভাবে মুখ বুজে মেনে নিয়েছিলেন নাজমুল হাসান পাপন, খালেদ মাহমুদ সুজনের বিসিবি। এক বছর যেতে না যেতেই নিজেদের ভুল বুঝতে পেরেছে বিসিবি। মাশরাফির ফেরা মানে হাতুরার নৈতিক পরাজয়।
পঙ্গত্ব ও দারিদ্রকে চ্যালেঞ্জ করে সবজি আবাদে স্বাবলম্বি কলারোয়ায় এক প্রতিবন্ধি পরিবার

পঙ্গত্ব ও দারিদ্রকে চ্যালেঞ্জ করে সবজি আবাদে স্বাবলম্বি কলারোয়ায় এক প্রতিবন্ধি পরিবার

জুলফিকার আলী, কলারোয়া(সাতক্ষীরা): শারীরিক প্রতিবন্ধি কিংবা পঙ্গত্বকে চ্যালেঞ্জ দিয়ে জীবন সংগ্রামে সাফল্য অর্জন করে চলেছেন আলাউদ্দীন নামের এক প্রতিবন্ধী ব্যক্তি। পাশাপাশি মহিলারাও যে পুরুষের চেয়ে কোন দিক থেকে কম নয় তারই প্রমানের স্বাক্ষর রেখেছেন ওই প্রতিবন্ধি মানুষটির স্ত্রীও। স্বামী-স্ত্রী দু’জনে মিলে নিয়মিত বেগুনসহ বিভিন্ন সবজি চাষাবাদ করে দরিদ্রতাকে বৃদ্ধাঙ্গলি দেখিয়ে সাবলম্বি হচ্ছেন তারা।
সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার পূর্ব সোনা
বাড়ীয়া গ্রামের মৃত আফিল উদ্দীনের পুত্র জন্ম থেকে শারীরিক প্রতিবন্ধি আলাউদ্দীন (৩৫) ও তাঁর স্ত্রী পাপিয়া খাতুন (৩০) এমনই অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে চলেছে। বৃহস্পতিবার সকালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়-পূর্ব সোনাবাড়ীয়ার ফসলি মাঠে স্বামী-স্ত্রী দু’জনে মিলে তাদের ১১কাঠার জমির বেগুন ক্ষেতে পরিচর্যা করছেন। কীটনাশক দেয়াসহ আনুসাঙ্গিক অন্যান্য কাজ তারা দু’জনিই মিলেমিশে করেন।
নিজেরা সবজি চাষের পাশাপাশি সোনাবাড়ীয়া বাজারে ছোট একটি কাচামালের অর্থাৎ তরিতরকারির দোকানও দিয়েছেন কৃষক আলাউদ্দীন পরিবার। ‘স্বাভাবিক শরীর’ পক্ষে না থাকলেও নিজের ইচ্ছাশক্তির জোরে সেটিকে তুচ্ছ করে জীবন সংগ্রামে সাবলম্বি হওয়ার প্রত্যয়ে অটুট আছেন তাঁরা। এই প্রতিবেদক কে তারা জানান- বছর দশেক আগে তাদের বিয়ে হয়। ৫বছরের একটি কন্যা সন্তান আছে তাদের।
জয়পুরহাটে সাংবাদিক নেতার পাল্টা সংবাদ সম্মেলন

জয়পুরহাটে সাংবাদিক নেতার পাল্টা সংবাদ সম্মেলন



জয়পুরহাট প্রতিনিধিঃ গত ২০ ফেব্রুয়ারী প্রতারণার অভিযোগে জয়পুরহাট প্রেসকাবে সংবাদ সম্মেলনের প্রতিবাদে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন করেছেন জয়পুরহাট জেলা প্রেসকাবের সাধারণ সম্পাদক ও সংবাদকর্মী রফিকুল ইসলাম রফিক। ২২ ফেব্রুয়ারী বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় তিনি জয়পুরহাট প্রেসকাব ও ১২টায় জয়পুরহাট জেলা প্রেসকাবে এ পাল্টা সংবাদ সম্মেলনের করেন।



সংবাদ সম্মেলনে রফিকুল ইসলাম রফিক লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন যে, জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলার আমানপুর গ্রামের জুয়েল ইসলাম ইতিপূর্বে সংবাদ সম্মেলন করে তার বিরুদ্ধ জেলা পরিষদের ৯০ বর্গফুট জায়গা ইজারা দেওয়া নিয়ে দুই লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার যে অভিযোগ করেছেন তা মিথ্যা ভিত্তিহীন, সত্য নয়। জয়পুরহাট জেলা প্রেসকাব থেকে বহিষ্কৃত কিছু সাংবাদিক তাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য তার গ্রামের বাড়ী এলাকার পূর্ব পরিচিত জুয়েল ইসলামের সঙ্গে যোগসাজশ করে এসব মিথ্যা অভিযোগ এনে গত মঙ্গলবার ওই সংবাদ সম্মেলন করেছেন।

রফিক পাল্টা অভিযোগ করে বলেন, পূর্ব পরিচিত জুয়েল ইসলাম গত ১০ জানুয়ারি তার কাছ থেকে ২০ লাখ টাকা ব্যবসায়ীক প্রয়োজনে কর্জ নিয়েছেন। যা তিনি ৩০০ টাকার ননজুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে আগামী ১০ মার্চ পরিশোধ করার জন্য স্বাক্ষীদের সম্মুখে লিখিত অঙ্গীকারনামা করে দিয়েছেন। সেই টাকা পরিশোধ না করার জন্য বিরোধী পরে সাংবাদিকদের চক্রান্তে জুয়েল ইসলাম আদালতে একটি মামলাও করেন। গত ১৮ ফেব্রুয়ারি মিথ্যা ঘটনার উল্লেখ করে দায়ের করা ওই মামলায় তিনি আদালতে জবাবও দিয়েছেন ।

এরপর একই ঘটনায় জুয়েল ১৯ ফেব্রুয়ারি আরো একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটি জয়পুরহাট সদর থানাকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। তিনি তার কাছ থেকে ধার নেওয়া জুয়েল ইসলামের ২০ লাখ টাকা সময়মতো না পেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়ে বলেন, এর আগেও বিরোধী পরে কতিপয় সাংবাদিক মিথ্যা ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশ করে তার সম্মানহানি করেছেন। যা তিনি পত্রিকার মাধ্যমে প্রতিবাদও জানিয়েছেন।

তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করে প্রকৃত ঘটনা তুলে ধরার জন্যই তিনি এই পাল্টা সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন বলে তিনি জানান। এ সময় তার সাথে জয়পুরহাট সদরের কাদের মন্ডলপাড়ার জনৈক এনামুল হক উপস্থিত ছিলেন।