রাজকীয় কায়দায় আহম্মেদ আলীর একমাত্র ছেলে আল আহম্মেদ রাফসান-এর বিয়ে দিয়ে ঈশ্বরদীতে আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন ঈশ্বরদী মহিলা কলেজের সহকারী অধ্যাপক আফরোজা খাতুন। বিয়ে উপলক্ষে ঢাকা হতে হেলিকপ্টার ভাড়া করে আনা হয়।
নিজ বাড়ি হতে বর রাফসান ঘোড়ায় চড়ে সাঁজোয়া
ব্যান্ডপার্টি নিয়ে ঈশ্বরদী সুগার ক্রপ গবেষণা ইন্সটিউটের মাঠে
হেলিকপ্টারে চড়ে বিয়ে করতে রওনা হয়। অবশ্য কনে রূবায়েত নিশাতের বাড়ী মাত্র
পাঁচ কিলোমিটার দূরে বাঘইল গ্রামে। মৃত শওকত আলীর কণ্যা রূবায়েত নিশাতের
সাথে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষে আবারো হেলিকপ্টারে বর – বউ নিয়ে বাড়ি ফেরে।
অনেকে এই বিয়েটাকে বিলাশীতা, অপচয় ও টাকার
গরম বলে মনে করছেন। শুক্রবার ঈশ্বরদী শহর হতে প্রায় ৩৬ কিলোমিটার দূরে
পাবনার ঐতিহ্যবাহী ‘রত্নদ্বীপ’ রিসোর্টে আয়োজন করা হয় বৌভাতের অনুষ্ঠান।
এখানে পাঁচ শতাধিক মানুষের আপ্যায়নের পাশাপাশি মনোরঞ্জনের জন্য ছিল নাচ ও
গানের অনুষ্ঠান। বরের ঘনিষ্ঠ সূত্র জানায়, এখানে আপ্যায়নের জন্য জনপ্রতি
খরচ হয়েছে এক হাজার টাকা। আহম্মেদ আলীর পুত্র বর রাফসান বর্তমানে চীনে
এ্যরোনোটিক্যাল ইঞ্জনিয়ারিং-এ লেখাপড়া করছে। আর নববধু নিশাত ঢাকায় ব্র্যাক
ইউনিভার্সিটিতে সিএসইতে পড়ছে। ঈশ্বরদীতে হেলিকপ্টারযোগে এটাই প্রথম বিয়ে
হওয়ায় এলাকায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে।

0 comments: